আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশের বানেহ শহরের সুন্নি জুমার ইমাম মামোস্তা জামাল কারিমি বলেন, ইসলামের শত্রুরা ধর্মীয়, জাতিগত ও রাজনৈতিক বিভেদ সৃষ্টি করে মুসলিম জাতির শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
জামাল কারিমি বলেন, শিয়া-সুন্নি ঐক্য, যা ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর অন্যতম কৌশলগত সুপারিশ ছিল, আজ মুসলিম উম্মাহর শক্তি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অপরিহার্য প্রয়োজন।
এদিকে, দিভানদারেহ শহরের সুন্নি জুমার ইমাম মামোস্তা জালাল মোরাদি বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর চিন্তাধারা তাওহিদ, ন্যায়বিচার, নৈতিকতা এবং ইসলামের সার্বিক শিক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তার মতে, ইমাম খোমেনী যে ঐশী রাজনীতির কথা বলতেন, তা শুধু মানুষের বস্তুগত চাহিদা পূরণ নয়, বরং আধ্যাত্মিক বিকাশ ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দেয়।
দেহগোলান শহরের সুন্নি জুমার ইমাম মামোস্তা আবদুস সালাম মোহাম্মাদি বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.) ঐক্য, বৈশ্বিক ঔদ্ধত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন এবং মর্যাদা ও স্বাধীনতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইরানি জাতি ও সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সামনে একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তুলে ধরেছেন।
অন্যদিকে, মুচেশ শহরের সুন্নি জুমার ইমাম মামোস্তা মোহাম্মদ আলী ফোরুতানি ঈদে গাদিরকে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিয়া ও সুন্নি নির্বিশেষে সকল মুসলমানকে নেতৃত্ব ও ঐক্যের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে, যাতে শত্রুদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায়।
এছাড়া ইরানের সুন্নি আলেম মোল্লা মোহাম্মদ মাহমুদি বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.) নিরাপত্তাকে আল্লাহর অন্যতম বড় নেয়ামত এবং ইসলামী সমাজের মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি বলেন, আজও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও শান্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সামনের সারিতে দায়িত্ব পালন করছে।
Your Comment